শনিবার, ২৫ Jul ২০২৬, ০৪:২৮ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ বরিশালে লজিক ডিবেটিং ক্লাবের নতুন কমিটি গঠন: সভাপতি হাসিবুর, সম্পাদক সিয়াম বাড়ইকান্দি পবিত্র ঈদুল-আযহা উপলক্ষে নাইট প্রীতি ফুটবল ম্যাচ বিবাহিত বনাম অবিবাহিত খেলা অনুষ্ঠিত গৌরনদীতে জিয়াউর রহমান’র শাহদাত বার্ষিকী পালন গাঁজা ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে রিপোর্ট করায় ফেসবুকে হুমকি থানায় মামলার আবেদন। তজুমদ্দিনে অস্ত্র, কার্তুজ ও রকেট ফ্লেয়ারসহ কুখ্যাত ডাকাত হেজু গ্রেফতার। বরিশালে প্রেমিকের বাসায় গিয়ে খুন হলেন প্রেমিকা উজিরপুরে মামলার এক বছর: আসামি গ্রেফতারে পুলিশের বিরুদ্ধে অনীহার অভিযোগ ইউএনও ও সাংবাদিকের যৌথ উদ্যোগে মাথা গোঁজার ঠাঁই ও কর্মসংস্থান পেলেন অসহায় মাহিনুর বাকেরগঞ্জে জমি সংক্রান্ত বিরোধে হামলায় যুবকের মৃত্যু বরিশালের জেল খাল গিলে খাচ্ছে বহুতলা ভবন: নেপথ্যে সিটি কর্পোরেশনের ‘দুর্নীতিবাজ’ চক্র! পৌরসভার ময়লা পরিষ্কার করে সংসার চালান বিধবা তাহমিনা ইরানের সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচন সম্পন্ন ব্যাংকের উচ্চ পর্যায়ে নারীর অংশ বাড়ছে চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছেছে জ্বালানিবাহী ৮ জাহাজ আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি আসামির
আয়াতুল কুরসি পড়ার ফজিলত

আয়াতুল কুরসি পড়ার ফজিলত

আয়াতুল কুরসি পড়ার ফজিলত
আয়াতুল কুরসি পড়ার ফজিলত

নুসন্ধান ২৪>> সাহাবি হজরত আবু হুরায়রা (রা.)-এর বরাতে হাদিসে ইরশাদ হয়েছ, তিনি বলেছেন, একবার হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.) আমাকে রমজানের জাকাত-ফেতরা দেখাশুনা করার দায়িত্ব দেন। মূলত আমি পাহারা দিচ্ছিলাম। এ সময় একজন এসে খাদ্যদ্রব্য চুরি করতে লাগল। আমি তাকে পাকড়াও করে বললাম, তোমাকে অবশ্যই হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে নিয়ে যাব।

সকালে হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে হাজির হয়েছি। হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.) বললেন, হে আবু হুরায়রা! গত রাতে কেমন আচরণ করেছ?

সে বলল, আমি একজন সত্যিকারের অভাবী। পরিবারের ভরণপোষণের দায়িত্ব আমার ওপর। আমার দারুণ অভাব। কাজেই আমি তাকে ছেড়ে দিলাম।

আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসুল! সে তার অভাব ও (অসহায়) পরিবার-সন্তানের অভিযোগ জানাল। এ কারণে তার প্রতি দয়া হওয়ায় আমি তাকে ছেড়ে দিলাম।

হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.) বললেন, সতর্ক থেকো। সে আবার আসবে। আমি হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কথা শুনে নিশ্চিত হলাম, সে আবার আসবে। কাজেই আমি তার প্রতীক্ষায় থাকলাম। সে এসে আবারও খাদ্যবস্তু নিতে লাগল। আমি তাকে বললাম, অবশ্যই তোমাকে হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে নিয়ে যাব।

সে বলল, আমি অভাবী, পরিবারের দায়িত্ব আমার ওপর। (আমাকে ছেড়ে দাও,) আমি আর আসব না। তাতে আমার মনে দয়া হলো। আমি তাকে ছেড়ে দিলাম।

আমি বললাম, ‘ইয়া রাসুলুল্লাহ! সে তার অভাব ও অসহায় সন্তান-পরিবারের অভিযোগ জানাল। তাই আমার মায়া লাগলে আমি তাকে ছেড়ে দিলাম।

সকালে উঠে যখন হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে গেলাম, তখন তিনি আমাকে বললেন, আবু হুরায়রা! গত রাতে তোমার বন্দি কেমন আচরণ করেছে?

 

তিনি বললেন, সতর্ক থেকো। সে আবার আসবে। তৃতীয়বার তার প্রতীক্ষায় রইলাম। সে আবারও খাদ্যদ্রব্য নিতে লাগল। আমি তাকে ধরে বললাম, এবার তোমাকে নবী কারিম (সা.)-এর কাছে হাজির করবই। এটা তিনবারের মধ্যে শেষবার। ফিরে আসব না, এ কথা বলে তুমি আবার ফিরে এসেছ।

সে বলল, তুমি আমাকে ছেড়ে দাও। আমি তোমাকে এমন কিছু শব্দ শিখিয়ে দেব, যার কারণে আল্লাহ তোমার কল্যাণ করবেন।

আমি বললাম, সেগুলো কী?

সে বলল, যখন তুমি (ঘুমানোর জন্য) বিছানায় যাবে, তখন আয়াতুল কুরসি পড়ে ঘুমাবে। তাহলে তোমার জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে একজন রক্ষক নিযুক্ত হবে। সকাল পর্যন্ত তোমার কাছে শয়তান আসতে পারবে না।

তখন আমি তাকে ছেড়ে দিলাম।

সকালে আবার হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে গেলাম। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তোমার বন্দি কেমন আচরণ করেছে?

আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসুল, সে বলেছে, আমি তোমাকে এমন কিছু শব্দ শিখিয়ে দেব, যার ফলে আল্লাহ তোমার কল্যাণ করবেন। এ কারণে আমি তাকে ছেড়ে দিলাম।

তিনি বললেন, শব্দগুলো কী?

আমি বললাম, সে আমাকে বলল, যখন তুমি বিছানায় শুতে যাবে, তখন শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আয়াতুল কুরসি পড়বে। সে আরও বলল, এর ফলে আল্লাহর পক্ষ থেকে সবসময় তোমার জন্য একজন রক্ষক নিযুক্ত থাকবে। সকাল পর্যন্ত তোমার কাছে শয়তান আসবে না।

এ কথা শুনে হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.) বললেন, শোনো, সে নিজে ভীষণ মিথ্যাবাদী, তবে তোমাকে সত্য কথা বলেছে। হে আবু হুরায়রা! তুমি কি জানো, তিন রাত ধরে তুমি কার সঙ্গে কথা বলছিলে?

আরও পড়ুন 

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © অনুসন্ধান24 -২০১৯